৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
মহেশখালীর পথে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সুমন চৌধুরী, সহ-সভাপতি এম জহির, সাঈদ পান্থ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত জনগণের আস্থা অর্জন ও আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নই অগ্রাধিকার: বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ মঞ্চে একজন শিল্পীর দিকে বোতল ছুড়ে মারা হবে এমনটি কখনও ভাবিনি, তবুও বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে চাই ইরান-ওমান আলোচনা ঘিরে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেব: ড. ইউনূস জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ, দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির আয়োজন নবম শ্রেণি পর্যন্ত নিষিদ্ধ হলো স্মার্টফোন

হিলিতে দুই দিনে করোনা শনাক্ত ১০ জনের, আতংকে স্থানীয়রা

আপডেট: জুন ১, ২০২১

দিনাজপুর প্রতিনিধি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এর বর্তমান সময়ে দিনাজপুরের সর্ব দক্ষিণে সীমান্ত ঘেষাঁ হিলি-হাকিমপুর উপজেলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত দুই দিনে (৩১মে ও ১জুন) স্হানীয় ১০ জনের শরীরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ফলে চরম আতংকে রয়েছে স্থানীয়রা।

হিলি ইমিগ্রেশন এর তথ্য মতে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৯ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকা পড়া ১৪২ জন  বাংলাদেশী যাত্রী।

ইমিগ্রেশনে স্হানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে মেডিকেল টিমের করোনার ডোপ টেস্টে চার জনের শরীরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। তবে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট কি না তা নিশ্চিত হতে নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ভারতে আটকা পড়া যাত্রী পারাপার শুরুর পর থেকেই করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকে বলে অভিযোগ স্হানীয়দের।

হিলি স্থলবন্দরের স্হানীয় বাসিন্দা সাইদুর রহমান সাজু ও রাজা মিয়া বলেন, গত বছর করোনার প্রথম ঢেউ এর শুরুতে হিলি, হাকিমপুর উপজেলা সীমান্ত ঘেঁষা হলেও হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত ” নো মাস্ক নো এন্ট্রি” এবং ” নো মাস্ক নো সেল”সহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ ও উপজেলা প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে এই উপজেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল খুবই কম।

কিন্তু বর্তমান সময়ে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পাড়াপাড় শুরু হওয়ায় আমাদের স্থলবন্দর এলাকায় করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। যার ফলে স্হানীয়রা চরম আতংকে রয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার স্থানীয় বাংলাহিলি বাজার সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের বিপণিবিতানসহ সব ধরনের দোকান গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সব দোকানের সামনে নাম মাত্র ” নো মাস্ক নো সেল” এর সাইনবোর্ড থাকলেও পণ্য ক্রয় ও বিক্রয় করতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মুখে মাস্ক পরতে তেমন দেখা যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য মতে, করোনা কালিন সময়ের প্রথমের দিকে উপজেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ৮৭ জন। এর মধ্যে এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে উপজেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ১০৭ জন।

মঙ্গলবার দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে, হিলিতে বর্তমানে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৭ জন। এর মধ্যে ১ জন মৃত্যুবরন করেছেন, সুস্থ্য হয়েছেন ৮৯জন, বর্তমানে ১৭জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা সকলেই তাদের নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

এছাড়াও গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ২৪৬টি নমুনা পরীক্ষা করে পুরো জেলায় ২২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়,এর মধ্যে হিলির রয়েছে ৫ জন। পুরো জেলার করোনা শনাক্তের হার দেখানো হয় ৮.৯৪%।

1782 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন