২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

শিরোনাম
বরিশালে সাংবাদিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় গঠন করা হলো ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’ ইংল্যান্ড ভুলেই গিয়েছিল ‘অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য নগর গড়তে সারাদেশে কাজ করবেন বিডি-ক্লিন সদস্যরা বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা বরিশালে বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমবাপ্পের পর দেম্বেলের গোল, ২–০ গোল ফ্রান্সের জয় ব্রাজিল শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে জিতবে কি না, ভবিষ্যদ্বাণী সুপার কম্পিউটারের প্রতিশোধ ও আমেরিকা ধ্বংস হোক স্লোগানে প্রকম্পিত মোসাল্লা

সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সোহেলের দাফন সম্পন্ন, মেহেন্দীগঞ্জে শোকের ছায়া

আপডেট: মার্চ ১৯, ২০২৬

অনলাইন নিউজঃ  রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত সোহেল ফকিরের মরদেহ নিজ গ্রাম বরিশালের উপজেলার চানপুরা ইউনিয়নের চরখাককাটা এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে একই ঘটনায় তার বাবা মিরাজ ফকির এখনো বুড়িগঙ্গা নদীতে নিখোঁজ রয়েছেন। এদিকে সোহেলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রেশমা আক্তার গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে জোহরের নামাজের পর স্থানীয় নুর মোহাম্মদ মৃধাবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সোহেল ফকিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাড়ি ফেরার পথে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উৎসবের আমেজের বদলে এলাকায় বিরাজ করছে নীরবতা ও শোক।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সদরঘাট এলাকায় লঞ্চে ওঠার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন সোহেল। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় তার বাবা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন এবং স্ত্রী গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সোহেলের বাড়িতে ভিড় করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মরদেহ পৌঁছালে মা-বোনসহ পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে পরিবেশ।

নিহত সোহেলের চাচা ফারুক ফকির জানান, জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে ঢাকায় পাড়ি জমান মিরাজ ফকির। তিনি সাভারের হেমায়েতপুরে একটি ট্যানারিতে কাজ করতেন। কয়েক বছর আগে ছেলে সোহেলকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে একই পেশায় যুক্ত করেন। বিয়ের পর স্ত্রী ও বাবাকে নিয়ে সাভারেই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন সোহেল। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ফেরার সময়ই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, সোহেলের মা গ্রামে তিন মেয়ে সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন সোহেল ও তার বাবা। তাদের এই পরিণতিতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে সহায়তার দাবি জানাই।

প্রসঙ্গত, মিরাজ ফকির তার ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে ট্রলারে করে সদরঘাটে এসে একটি লঞ্চে উঠছিলেন। এ সময় আরেকটি লঞ্চের ধাক্কায় দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সোহেল নিহত হন, তার বাবা নিখোঁজ হন এবং স্ত্রী গুরুতর আহত হন।

208 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন