১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

শিরোনাম
১৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাশের হার, ইংরেজি-গণিতে বিপর্যয় দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পর্যটনকেন্দ্র ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারার বাজার পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সিলেটে ৯ জনের প্রাণহানির মামলা, বেঙ্গল-ইউনিকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল মহেশখালীর পথে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সুমন চৌধুরী, সহ-সভাপতি এম জহির, সাঈদ পান্থ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত জনগণের আস্থা অর্জন ও আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নই অগ্রাধিকার: বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ মঞ্চে একজন শিল্পীর দিকে বোতল ছুড়ে মারা হবে এমনটি কখনও ভাবিনি, তবুও বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে চাই ইরান-ওমান আলোচনা ঘিরে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির

সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল ও রিজভী

আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫

অনলাইন নিউজঃ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সংবাদ সম্মেলনে এসে কাঁদলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে দলটির এই দুই নেতাকে কাঁদতে দেখা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে আমরা সেটা কখনও ভাবিনি। আমরা আশা করছিলাম, তিনি আগের মতোই আবার সুস্থ হয়ে উঠবেন। আপনারা এরইমধ্যে শুনেছেন ড. শাহাবুদ্দিনের ঘোষণায়, আজ ভোর ৬টায় গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, আমাদের জাতীয় অভিভাবক আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। এই শোক, এই ক্ষতি অপূরণীয়। এই ক্ষতি জাতি কোনোদিন পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী সারাটি জীবন জনগণের অধিকারের জন্য, কল্যাণের জন্য একটি তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন সে নেত্রী আমাদের মাঝে আর নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো। শুধু তাই নয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও বিশাল একটি শূন্যতা তৈরি হলো।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংকটে শোকে মাথার উপর যেমন মায়ের একটি ছায়া থাকে, আজকে জাতি যেন সে ছায়া থেকে বঞ্চিত হলো। তিনি অসুস্থ ছিলেন, হাসপাতালে ছিলেন, কখনো বাসায়, এতে করেও আমাদের মনে হতো, একজন মা তো আছেন। সে কারণে আমরা এতটা শক্তি পেতাম। এটা বোঝানোর এবং বলার ভাষা আমি পাচ্ছি না। সেই ছাত্র রাজনীতি থেকে একটা দীর্ঘ সময় যার নেতৃত্বে ছায়ায় বেড়ে ওঠা, তিনি এত তাড়াতাড়ি চলে যাবেন, এটা বড়ই বেদনার। এই শোক এবং সংকট কাটিয়ে ওঠা জাতির জন্য খুব মুশকিল। এত নিপীড়ন সহ্য করে চোখের সামনে সন্তানের লাশ দেখে, শুধুমাত্র দেশ এবং গণতন্ত্রের জন্য অটুট মনোবল দিয়ে তিনি টিকে থেকেছেন। সারাদেশ এবং সারা বিশ্ব নিপীড়িত মজলুম নেত্রীর জন্য গভীর শোক জানাচ্ছে।

এসআর/জেডএস

361 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন