২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
অভিযানে জব্দকৃত ৫ হাজার ইলিশ ১২শ অসহায় মানুষকে বিতরণ করলেন ইউএনও রাসেল ইকবাল সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, আমাদের অস্তিত্ব: রাষ্ট্রপতি সৌদিতে নিহত ওমরাহযাত্রী মুফতি নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে ধর্মমন্ত্রী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ তুড়ি মেরে থামালেন ক্লাসের হট্টগোল, তরুণী শিক্ষিকার অভিনব কৌশলের ভিডিও ভাইরাল বঙ্গভবনে উঠেছেন মির্জা ফখরুল, গার্ড অব অনার প্রদান সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত বৃহত্তর চট্টগ্রাম জাতীয় পার্টির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে পড়া হল সূরা ফাতহের ১০ নম্বর আয়াত, অর্থ কী

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়া হলো কাল, প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬

অনলাইন নিউজঃ ভারতের মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি আর তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, মারাত্মক ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্য বিষক্রিয়াই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ।

মৃতরা হলেন ৪০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আব্দুল কাদার, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে। আবদুল্লাহ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিরিয়ানি ভোজ করেন। এরপর পাইধোনি এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ফিরে রাত ১টার দিকে তারা সবাই তরমুজ খান। ভোরের দিকে পরিবারের সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং শুরু হয় প্রচণ্ড বমি ও ডায়রিয়া।

প্রথমে স্থানীয় একজন চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা দিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত জেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়ে জয়নাব মারা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। সবশেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাবা আবদুল্লাহও মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসক ড. জিয়াদ কোরেশি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন এবং তাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়েছিল।

পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। তারা ওই বাড়ি থেকে অর্ধেক খেয়ে রাখা তরমুজের টুকরোটি পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে।

এছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরমুজে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা রাসায়নিক মেশানো ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাইয়ের ফরেনসিক বিভাগ ও খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। শোচনীয় এই মৃত্যু সংবাদে পুরো মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

386 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন