২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
ইরানে ফের ভয়াবহ হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ৬ লেন করার দাবি তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত বরিশালের ঐতিহ্যবাহী পিআরসি ইনষ্টিটিউশনের সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট এইচ এম তসলিম উদ্দিন সব শঙ্কা কাটিয়ে স্কটল্যান্ড ম্যাচেই ফিরছেন নেইমার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প : কৃষি ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিনকে অভিনন্দন জানালেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক ইমতিয়াজ চৌধুরী ফিফা প্রীতি ম্যাচে সান ম্যারিনোকে হারালো বাংলাদেশ বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে

প্রতিহিংসার অণলে রাজনৈতিক জীবন,মানবিক কাজে সর্বত্র জনপ্রিয় যুবদল নেতা আলী হায়দার

আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬

সোহেল আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ বরিশালআমৃত লাল দে কলেজে অধ্যায়নকালে ২০০২ সাল থেকে  রাজনীতি শুরু। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বাকসু ভিপি প্রয়াত মশিউল আলম খান সেন্টু’র হাত ধরেই আমার রাজনীতির হাতে খড়ি। ভিপি সেন্টু ভাইয়ের মৃত্যুর নিজের রাজনৈকি ক্যারিয়ার নিয়ে মারক্তক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাই।

মহান আল্লাহ সহায় ছিলেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখোনও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজের সর্বোচ্ছটুকু দিয়ে কাজ করব বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বর্তমানে বরিশাল জেলা (দঃ) যুবদলের সহ -সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মোঃ আলী হায়দার।

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক বরিশাল২৪ডটকম-কে দেয়া বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা বিষয়ে তুলে ধরেন।

বরিশাল সদর উপজেলার চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের মুখন্দপট্টি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আলী হায়দারের জন্ম। তাঁর পিতা মৃতঃ মোবারক আলী বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ছিলেন।

কর্মজীবনে বাবার সততা, এলাকার সামাজিক উন্নয়নে ব্যপক সম্পৃক্ত থাকার ফলে ছাত্রজীবন থেকেই আলী হায়দার ছিলেন ভীষণ মেধাবী আর অত্যন্ত সাহসী মনের অধিকারী স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে এমনটাই জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলী হায়দার এমন এক নেতার ( ভিপি মশিউল আলম সেন্টু)  হাত ধরে রাজনীতিতে পদার্পন করেছে যে, শত প্রতিকুলতা সত্বেও রাজপথ দখলে রাখার কৌশল নিয়ে হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদী আমলে পুলিশি হামলার ভয়কে উপক্ষো করে বিএনপির প্রতিটি প্রগ্রামে নেতাকর্মীদের বিশাল বহর নিয়ে যোগদান করেন।

স্বৈরাচার দ্বারা নির্যাতিত বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দলের দূঃস্বময়ে নিজেদের জীবন বাঁচাতে আড়ালে চলে যায়, আলী হায়দার তখন একাই নেতৃত্ব দিয়ে বরিশাল সদর উপজেলার তৃণমুল সমার্থকদের একছাতার নিচে এনেছেন। দলের ছোটো সব বড়ো সব ধরণে মিছিল-মিটিং করে বরিশালের রাজপথ দখলে  সাহসী নেতৃত্বর পরিচয় দিয়েছেন। বিশেষ করে অনেক নেতারা কর্মী খড়ায় থাকলেও আলী হায়দারের ছিল হাজার হাজার কর্মী বাহিনীর বহর।

নেতাকর্মীদের এই বহর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আওয়ামী অপশাসনের বিরুদ্ধে দারুণ সহযোগীতা করে। বরিশাল সদর উপজেলা ছাড়াও বরিশাল মহানগরের নিয়মিত আন্দলোন কর্মসূচিতে আলী হায়দারের উপস্থিতি সম্মুখ সারিতে লক্ষ্য করা গেছে।

সূত্র জানায়, মাধ্যুমিক শিক্ষায় অধ্যয়ণকাল থেকেই আলী হায়দার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পরেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খননের একটি ছবি এবং বেগম জিয়ার দেশ পরিচালনায় আলী হায়দার বিএনপির প্রেমে পরেন। ভিপি মশিউর রহমান সেন্টুর আস্থাভাজনদের মধ্যে আলী হায়দার ছিলেন অন্যতম একজন। হঠাৎ তিনি ( ভিপি সেন্টু) এর অকাল মৃত্যু বরণ করলে বরিশালের ছাত্ররাজনীতিতে হঠাৎ শুণ্যতা দেখা দেয়। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিযোগীতার যুগে হিংসা প্রতিহিংসার অণলে পরে যান আলী হায়দার। রাজনৈতিক গুরুর মৃত্যুর পরে তাকেও হত্যার হুমকিতে পরতে হয়।

রাজনৈতিক গুরুকে হাঁড়িয়ে যখন দিশেহারা ঠিক তখনই বরিশাল জেলা (দঃ) যুবদলের  প্রয়াত সভাপতি মানবতার ফেরিওয়ালা এড.পারভেজ আকন বিপ্লব আলী হায়দারকে কাছে টেনে নেন। যুক্ত করেন তাঁর মানবিক কাজগুলোতে। মানবিক কাজে অংশ গ্রহণ বেশি পরিচিতি লাভ করে  করোনাকালীন মানবিক বিপর্যয়ের সময়।

প্রাণঘাতী করোনার মৃত্যুকুপের ভয়ে সারাদেশের মতো বরিশালের মানুষ যখন একেবারেই ঘরবন্দী হয়ে পরেন। আলী হায়দার তখন জীবনের মায়া ছেড়ে অসহায় মানুষের বাসায় বাসায় গিয়ে নিত্যপণ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। রোগীদের জন্য পৌছে দেন অক্সিজেন সেবা। এই সেবা পেয়ে বরিশালে শতশত বিপদগ্রস্থ রোগী দারুণ উপকৃত হয়।

রাজনীতির দর্শনে দলের পক্ষ হয়ে অভাবগ্রস্থ নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আলী হায়দারের এই মানবিক সহয়তা পৌছে যায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে। করোনার সেই ভয়াবহ বিপদের সময় মানবিক কাজে নিজেকে সম্মুখ সারির যোদ্ধা  বরিশালবাসীর কাছে এক নামে বিএনপির মানবিক নেতা হিসেবে আলী হায়দার মানবিক নেতার খ্যাতি লাভ করেন।

দলের দুঃসময়ে এক আলী হায়দারের মানবিক কাজগুলো বরিশাল বিএনপির ইমেজ রক্ষায় এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

রাজপথের লড়াকু এই তরুণ সৈনিক ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তত তিনবার জেল খেঠেছেন। রয়েছে অসংখ্য রাজনৈতিক হামলা-মামলা পুলিশি হয়রানীর ইতিহাস। এতো বাঁধা বিপত্বির পরেও মানবিক কাজে খ্যান্ত না হয়ে আলী হায়দার নিজের এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেছেন ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাদরাসায় বহু শিক্ষার্থী বিনা বেতনে দ্বীনী শিক্ষায় আলোকিত হচ্ছে। পাশাপাশি এতিম ও অসহায়দের জন্য বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থাও করেছেন মানবিক নেতা এই নেতা।

রাজনৈতিক দীর্ঘ পথচলার বিষয়ে জানতে চাইলে, দৈনিক বরিশাল২৪ ডটকম-কে আলী হায়দার বলেন, আমাদের দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দেশের মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ও দেশমাতৃকার জন্য তার ত্যাগ আমাকে অনুপ্রানিত করে। বর্তমান প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বে দেশের মানুষের কল্যাণে ইতিমধ্যে তাঁর ( প্রধানমন্ত্রী )র নেয়া প্রতিটি পদক্ষেপ জনসাধরণের হ্রদয় ছুয়ে গেছে বলে মনেকরেন যুবদল নেতা আলী হায়দার।

154 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন