২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

শিরোনাম
বরিশালে সাংবাদিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় গঠন করা হলো ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’ ইংল্যান্ড ভুলেই গিয়েছিল ‘অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য নগর গড়তে সারাদেশে কাজ করবেন বিডি-ক্লিন সদস্যরা বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা বরিশালে বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমবাপ্পের পর দেম্বেলের গোল, ২–০ গোল ফ্রান্সের জয় ব্রাজিল শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে জিতবে কি না, ভবিষ্যদ্বাণী সুপার কম্পিউটারের প্রতিশোধ ও আমেরিকা ধ্বংস হোক স্লোগানে প্রকম্পিত মোসাল্লা

পদ্মাসেতুর কাজ আগামী বছরের জুনেই সমাপ্ত হবে: কাদের

আপডেট: মে ৭, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক>> মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বাবা মারা যাওয়ার ৪০ দিন পার হতেই তার ঘর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছেলেদের বিরুদ্ধে।

 

এ নিয়ে পরিবারের অন্য ভাইদের সঙ্গে হাতাহাতি ও বৃদ্ধ মাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনেরও অভিযোগ উঠেছে। পরে মা রোকেয়া বেগম (৬৫) সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে রোকেয়া বেগম তার বড় দুই ছেলে খায়রুল ইসলাম মঞ্জনু ও মজিবুর তালুকদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভবানীপুর গ্রামের মো. ফজল তালুকদার ৪০ দিন আগে মারা যান। তার ছয় ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রয়েছে।

 

ফজল তালুকদারে মৃত্যুর পর তার বসতঘরটি দখলে পাঁয়তারা শুরু করেন তার দুই ছেলে খায়রুল ও মজিবুর। ঘরটি দখল নিতে বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে তার মায়ের ওপর শাররীক ও মানসিক নির্যাতন চালান ওই দুইভাই।

 

গত মঙ্গলবার পাশ্ববর্তী পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ওই দুই ভাই তাদের মাকে মারধর করেন। এ সময় ছোট দুই ভাই শামীম ও মুন্না মাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদেরও মারধর করে জখম করেন বড় দুই ভাই।

 

পরে তাদের মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ছাড়া ওই দুই ছেলের বিরুদ্ধে মেয়েদের ১২ ভরি স্বর্ণ ধার নিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

রোকেয়া বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বড় দুই ছেলে খায়রুল ইসলাম মজনু ও মজিবুর আমার বসতঘরটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

 

তারা নানা ইস্যু তৈরি করে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে যাচ্ছে। নির্যাতন সইতে না পেরে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’

 

তবে মাকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দুই ছেলে খায়রুল ও মজিবুর। তারা বলেন, মাকে মারধর করা হয়নি। চার ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর হাতাহাতি হয়েছে।

 

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মীর শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চার ভাইয়ের মধ্যে মারামারি হওয়ার সময় তাদের মায়ের গায়ে আঘাত লাগতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

425 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন