২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
ইংল্যান্ড ভুলেই গিয়েছিল ‘অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য নগর গড়তে সারাদেশে কাজ করবেন বিডি-ক্লিন সদস্যরা বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা বরিশালে বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমবাপ্পের পর দেম্বেলের গোল, ২–০ গোল ফ্রান্সের জয় ব্রাজিল শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে জিতবে কি না, ভবিষ্যদ্বাণী সুপার কম্পিউটারের প্রতিশোধ ও আমেরিকা ধ্বংস হোক স্লোগানে প্রকম্পিত মোসাল্লা ইরানে ফের ভয়াবহ হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

গাছের ডালে আ’ইসোলেশন !

আপডেট: মে ১৮, ২০২১

বিজয় ডেস্ক ॥ হাসপাতালে বেডের জন্য হাহাকার চলছে। অপরদিকে সেফহোম বা আইসোলেশন সেন্টারেরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আইসোলেশন সেন্টার ও চিকিৎসার অভাবে নিরুপায় হয়ে গাছের ডালে মাচা বানিয়ে আইসোলেশনে থাকছেন এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেই চিত্র।

ভারতের গণমাধ্যমের খবর, তেলেঙ্গানার নলগোন্ডা জেলার কোঠানন্দিকোন্ডা গ্রামের বাসিন্দা ১৮ বছরের যুবক শিবা। গত ৪ মে তার শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়। বিভিন্ন হাসপাতাল ও আইসোলেশন সেন্টার ঘুরে এতটুকু জায়গা হয়নি তার। বাড়িতে আলাদা থাকার ঘরও নেই। নিজে গ্রামে নেই কোনো আইসোলেশন সেন্টার। ফলে বাধ্য হয়ে সংক্রমণ ছড়ানো এড়াতে বাড়ির একপাশে থাকা গাছের ডালে উঠেছেন এই যুবক।

গাছের মগডালে বানানো মাচায় বসেই গণমাধ্যমকে শিবা বলেন, আমাদের গ্রামে মাত্র দুদিন হলো আইসোলেশন সেন্টার বানানো হয়েছে। কিন্তু সেটা এখনও অনুপযুক্ত। আশপাশের গ্রামগুলোতে আইসোলেশন সেন্টার নেই। এমনকি হাসপাতালও নেই।

এছাড়া করোনা সম্পর্কে আমার গ্রামের মানুষরা এখনও সচেতন না। এমনকি তাদের কোনো ধারণা নেই যে, দেশের করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে। আমি করোনায় আক্রান্ত হলে গ্রামের কেউই আমাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি।

এদিকে বাড়িতে আলাদা থাকার মতো ঘর নেই। তাই করোনা যেন আমার গ্রামে না ছড়ায় সেজন্য গাছের মগডালে মাচা বানিয়ে থাকছি। নিজেকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন রাখছি।

মহামারি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত ভারত। প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ। হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু। এতো মরদেহ যে চিতায় পোড়ানোর জায়গা নেই। অনেক মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া করোনা রোগীর জন্য জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধের অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছে। অক্সিজেন সিলিন্ডার যেন সোনার হরিণ।

1338 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন