২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েই প্রথমে জামায়াত আমিরের সঙ্গে কোলাকুলি করলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল লক্ষ্য: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা ‘সে আমার সহপাঠী’—ফটোগ্রাফার বন্ধুকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী বরিশালে ট্রাফিক বিভাগ কার্যালয় পরিদর্শন করলেন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা কুয়াকাটা সৈকতে ভয়াবহ ভাঙন, ঝুঁকিতে পুলিশ বক্স

আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল লক্ষ্য: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬

অনলাইন নিউজঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার পেছনে দৌড়ানোর চেয়ে রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমেই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওতে সারা দেশব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের পাশাপাশি একজন প্রতিবন্ধীকে টিকা দিয়ে দেশব্যাপী সবার মধ্যে এটি ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার দিকে জোর দিলে মানুষ যেমন সুস্থ থাকবে, তেমনি জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি রোগীর চাপ কমে আসবে।

বক্তব্যে স্বাস্থ্যখাতের রূপরেখা তুলে ধরে ড. এম এ মুহিত বলেন, দেশের ইতিহাসে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

কলেরা ও ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতা দূর করতে টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি সহজে গ্রহণযোগ্য ওরাল (মুখে খাওয়ার) ভ্যাকসিন। শহর থেকে দূরবর্তী গ্রাম, দুর্গম চরাঞ্চল কিংবা পাহাড়ের প্রত্যন্ত জনপদে প্রতিটি মানুষের কাছে এই টিকা পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য সব সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে টিকাদানকে একটি কার্যকর ‘সামাজিক আন্দোলনে’ রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত উল্লেখ করেন, শুধু টিকাই নয়, কলেরা ও ডায়রিয়ার মতো মারাত্মক পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ৩টি বিষয় কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এগুলো হচ্ছে—পান করা, রান্না এবং দৈনন্দিন গৃহস্থালির প্রতিটি কাজে শতভাগ বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির ব্যবহার এবং সংরক্ষণ নিশ্চিত করা; বৈশ্বিক ‘ওয়াশ’ নির্দেশিকা অনুযায়ী নিয়মিত ও সঠিকভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার চর্চা গড়ে তোলা এবং খোলা স্থানে মলত্যাগ বর্জন ও সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটেশন নিশ্চিত করা।

দেশব্যাপী সফলভাবে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামের টিকাদান কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, স্বাস্থ্যকর্মী ও সামাজিক সহযোগিতায় এই ওরাল কলেরা টিকাদান কর্মসূচিও শতভাগ সফল হবে।

6 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন