১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
২০৪২ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী থাকবেন: জয়নুল আবদিন ফারুক তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হতে চান বিএনপির ১০ নেতা! ২৭২০৪ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ট্যাংকার, আসছে আরও চারটি জাকাত ব্যবস্থাপনায় আলেম-ওলামাদের নিয়ে কমিটি গঠনের সুপারিশ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: যুবদল নেতা তসলিম উদ্দিন মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর

আপনাদের সঙ্গে ছিলাম এখন আরও শক্তভাবে থাকবো বললেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

অনলাইন নিউজ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং আমাদের যারা ভোট দিয়েছেন আমরা আগেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম এখন আরও শক্তভাবে থাকবো। আমাদের যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও আমরা নামবো।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকে অংশ নেন তিনি।

বৈঠকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা পর্যালোচনাসহ ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন উপস্থিত জাতীয় নেতারা। এছাড়াও বৈঠকে নির্বাচনে আপত্তির বিষয়গুলোর মধ্যে, ভোট কারচুপি, নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা ও বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়। সারা দেশে ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের ওপর হামলা ও বাড়িতে আগুন দেওয়ার মতো ফ্যাসিবাদী কার্যক্রমের বিষয়ে আলোচনা ও নিন্দা জানানো হয় এবং এসব বন্ধের দাবি জানানো হয়। আর তা না হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হন নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই। সেটা যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কিছু আসে যায় না। বড় ধরনের বৈষম্য হয়, অনিয়ম হয়ে থাকে… আমাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর পরও আজ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে; এটা তো ফ্যাসিবাদী লক্ষণ।

আমরা চাইলেও তারা যদি ইতিবাচক রাজনীতি না চান, তাহলে আমরাও জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারবো না। যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব।

১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সাবেক এমপি মাওলানা আ.ন.ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াযী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল, আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, জাতীয় নাগরিক পার্টির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মুনিরা শারমীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মহাসচিব মিরাজুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল।

114 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন