১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে চালু হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী কারও অধীনে নয়, বাংলাদেশ চলবে নিজের ইচ্ছায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাইড–শেয়ার মোটরসাইকেলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি, বিপিসির নির্দেশনা নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এবার এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন সরকার জনগণের অধিকার বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ নিলে সহযোগিতা করব: জামায়াত আমির ২০৪২ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী থাকবেন: জয়নুল আবদিন ফারুক তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬

অনলাইন নিউজ: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন) এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তৃতায় নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান যে, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে সরকার।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে তালিকায় থাকা ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীর ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে নির্ধারিত টাকা জমা হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা, উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সরকারের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে, যা এই কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কমিটির সদস্যরা সরেজমিন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারে ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

জাহিদ হোসেন বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

59 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন