৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
বন্দরটিলা নয়ারহাট এলাকায় বালিকা বিদ্যালয়ের জায়গা পরিদর্শনে চসিক প্রশাসক ডাঃ শাহাদাত হোসেন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ অভিযানে জব্দকৃত ৫ হাজার ইলিশ ১২শ অসহায় মানুষকে বিতরণ করলেন ইউএনও রাসেল ইকবাল সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, আমাদের অস্তিত্ব: রাষ্ট্রপতি সৌদিতে নিহত ওমরাহযাত্রী মুফতি নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে ধর্মমন্ত্রী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ তুড়ি মেরে থামালেন ক্লাসের হট্টগোল, তরুণী শিক্ষিকার অভিনব কৌশলের ভিডিও ভাইরাল বঙ্গভবনে উঠেছেন মির্জা ফখরুল, গার্ড অব অনার প্রদান সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

করোনাভাইরাস: ঈদের পর ফের বাড়ছে লকডাউন

আপডেট: মে ১৩, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক>> করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঈদের পরে আরও অন্তত এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের পরে ২০-২২ তারিখের দিকে সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পেতে পারে। এ দিক থেকে আমাদের পরিকল্পনা আছে ঈদের পরে আরও এক সপ্তাহ বিধিনিষেধ চলমান রাখা অন্তত। আর এর মধ্যে শতভাগ মাস্ক যেন আমরা পরাতে পারি সে ব্যবস্থা করা। আশা করি ১৬ তারিখের মধ্যে প্রজ্ঞাপন দিয়ে এগুলো জানাতে পারব।’

 

লকডাউন বাড়ানোর পাশাপাশি শতভাগ মাস্ক নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়ার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, আমাদের যেটা পরিকল্পনা অবশ্যই শতভাগ মাস্ক পরাতে হবে; বিশেষ করে সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরগুলোতে যেখানে জনসমাগম বেশি হয় আর যেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষজন আসে।

 

এ ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনা আছে যে আমাদের যে আইনটি আছে সে আইনে কিছু সংশোধনী এনে পুলিশকে নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে আমাদের কিছু কাজ করা যায় কি না, এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছি আমরা। কারণ আমরা তো এভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখতে পারি না।

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পাশ্ববর্তী দেশের যে অবস্থা, সেটিও কিন্তু আমাদের মাথায় রাখতে হচ্ছে। আমাদেরটা কমিয়েছি বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে। কিন্তু ঈদ উপলক্ষে এই যে মাস্ক না পরা, কিছুসংখ্যক লোকের বাড়িতে যাওয়া, এই বিষয়গুলো আমাদের ভাবাচ্ছে।’

 

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরও দুই দিন বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। তবে সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, গণপরিবহন চালু থাকায় তা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে খুব একটা কাজে আসেনি।

 

এর মধ্যে কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় কঠোর লকডাউন যা কয়েক দফা বাড়ানো হয়। সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ মে পর্যন্ত চলবে এ বিধিনিষেধ।

593 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন