৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
২০৪২ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী থাকবেন: জয়নুল আবদিন ফারুক তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হতে চান বিএনপির ১০ নেতা! ২৭২০৪ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ট্যাংকার, আসছে আরও চারটি জাকাত ব্যবস্থাপনায় আলেম-ওলামাদের নিয়ে কমিটি গঠনের সুপারিশ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: যুবদল নেতা তসলিম উদ্দিন মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুইজন ভারতে গ্রেপ্তার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, এখনই বিদায় নিচ্ছে না বৃষ্টি

আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫

অনলাইন নিউজ: চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ কিছু এলাকায় আকাশ মেঘলা থাকবে এবং বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ২৪ অক্টোবরের দিকে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। বর্তমানে মৌসুমি লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। তবে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কিনা, এখনই তা বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, মৌসুমি বায়ু চলে যাওয়ার পর স্থানীয়ভাবে সৃষ্ট মেঘেও বৃষ্টি হতে পারে। সম্প্রতি রাজধানীতে ঘূর্ণিবায়ুর আবর্তন ও জলীয় বাষ্পের মিশ্রণে এমন স্থানীয় বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর চলতি মাসের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানায়, অক্টোবরে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি মাসের শুরুতে হয়েছিল। বাকি দুটি লঘুচাপের একটি নিম্নচাপে বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরে দুটি সময় ঘূর্ণিঝড়প্রবণ– একটি মৌসুমি বায়ু আসার আগে (এপ্রিল থেকে মে) এবং আরেকটি মৌসুমি বায়ু চলে যাওয়ার পর (অক্টোবর থেকে নভেম্বর)। সাধারণত বড় ঘূর্ণিঝড়গুলো হয়ে থাকে নভেম্বর মাসে। সে অনুযায়ী চলতি মাসেও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তথ্যসূত্র: সমকাল

147 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন