২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

শিরোনাম
বরিশালে লাল শাপলা দেখতে নেমে কলেজছাত্রের মৃত্যু কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, সাংবাদিকের ভিডিও বার্তা পেয়ে ব্যবস্থা নিলো প্রশাসন বরিশালে সাংবাদিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় গঠন করা হলো ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’ ইংল্যান্ড ভুলেই গিয়েছিল ‘অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য নগর গড়তে সারাদেশে কাজ করবেন বিডি-ক্লিন সদস্যরা বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা বরিশালে বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমবাপ্পের পর দেম্বেলের গোল, ২–০ গোল ফ্রান্সের জয়

পুলিশকে ‘হারামজাদা’ বললেন এই নারী ডাক্তার!

আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশজুড়ে সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে রাজধানীতে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রীতিমতো তুলকালাম কাণ্ড করেছেন এক নারী চিকিৎসক। পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বার বার অনুরোধ করেও তার কাছ থেকে মুভমেন্ট পাস বা কোন মেডিকেলের চিকিৎসক পরিচয়পত্র বের করতে পারেননি।

রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এলিফ্যান্ড রোডে পুলিশ চেকপোস্টে ওই নারীর কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিশ। এতে উত্তেজিত হয়ে উঠেন তিনি। পুলিশের কাছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেন তিনি। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের গালিগালাজ করতে থাকেন। হুমকি দেন চাকরি হারানোর। এমনি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটকে বার বার নমনীয়ভাবে কথা বলতে দেখা যায়। কিন্তু ওই নারী তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে থাকেন।

৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী পুলিশকে বলেছেন, ‘করোনায় জীবন গেছে কয়জন ডাক্তারের, আর আপনারা কতজন মরছেন। আমার কাছে আবার চান মুভমেন্ট পাস।’

এরপরই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। পুলিশের এক সদস্য ওই নারীকে বলেন, ‘আপনি আমাদের ধমক দিচ্ছেন কেনো?’ জবাবে নারী বলেন, ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর মেয়ে।’ পুলিশও বলে, ‘আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। আপনি আমাকে শোনাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার কথা।’

এসময় নিজেকে চিকিৎসক দাবি করা ওই নারী পুলিশকে বলেন, ‘ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে। আমি বিএসএমএমইউ প্রফেসর, বীর বিক্রমের মেয়ে। আমাকে আপনারা হয়রানি করতে পারেন না।’ পরে পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, ‘আপা আপনাকে তো হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে।’

এর পরে নিজ গাড়িতে ওঠে যান ওই নারী চিকিৎসক। তখন পুলিশের এক সদস্য ওই নারীকে বারবার বলেন, ‘আপনি আমাকে তুই তুই করে বলছেন কেন?’ এক পর্যায়ে পুলিশকে তিনি হয়রানি করলে আন্দোলনের হুমকি দেন। পুলিশ জবাবে বলছে, ‘আমাদের আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন।’

‘আর আমি কে, সেটা এখন তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা।’ এই কথা বলে এক ‘মন্ত্রীকে’ ফোন করেন তিনি। ফোনে তাকে হয়রানি করার কথা বলেই পুলিশ সদস্যের হাতে তার ফোন তুলে দেন কথা বলার জন্য। তারপরও পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাননি তিনি।

365 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন