অনলাইন নিউজ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শনিবার (১৪ মার্চ) মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে দৈনিক আমাদের বার্তার এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ইফতারে অংশ নেন দৈনিক আমাদের বার্তার নির্বাহী সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, সিনিয়র রিপোর্টার সুতীর্থ বড়াল, শিমুল বিশ্বাস, মিথিলা মুক্তা, সাবিহা সুমিসহ বিভিন্ন পত্রিকার শিক্ষা সাংবাদিকরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় এক ধরনের প্রশাসনিক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখানে একটা গ্যাপ রয়েছে। আমি তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি, কিন্তু একসেপ্ট করিনি। শুধু দরখাস্তটি গ্রহণ করেছি। তাকে এখনো জানানো হয়নি যে এটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নিজে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিচ্ছি, ততক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টি খোলা থাকবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘তিনি একজন ভদ্র (জেন্টেলম্যান) ও কোয়ালিফাইড (যোগ্য) ব্যক্তি। আমি মনে করি তাকেও আমাদের বিভিন্ন জায়গায় কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।’ এ সময় অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলসহ একাধিক কাউন্সিলের কথা উঠে আসে মন্ত্রীর বক্তব্যে।

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন জামায়াত সমর্থিত অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন তিনি। উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ সে সময় বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় সকালে মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। যদিও মন্ত্রণালয় থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন‘|