মঙ্গলবার সাতসকালেই এশিয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩.০৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুডের দাম ৬.১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৮৮.৯৬ ডলারে।
সোমবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের আশঙ্কায় তেলের দাম প্রায় ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। তবে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে—এমন ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আপাতত তেলের দাম কমলেও বাজার এখনো অত্যন্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইন্টারক্যাপিটাল এনার্জির বিশ্লেষক আলবার্তো বেলোরিন বলেন, সংঘাত বাড়লে দাম আবার দ্রুত বাড়তে পারে, আর উত্তেজনা কমলে তা কমে আসবে।
তেলের দামের পতনের প্রভাব শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে। মঙ্গলবার জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ৩.৩ শতাংশ বেড়েছে। হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক বেড়েছে ১.৭ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক বেড়েছে ৬.২ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান দামের পতন সত্ত্বেও তেলের দাম এখনো সংঘাত শুরুর আগের সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে সরবরাহ ঝুঁকি বিবেচনায় তেল পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ আরোপ করা হতে পারে, যা আবারও দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।
এদিকে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে গ্রুপ অব ৭, (জি৭) দেশগুলো। জি৭ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) বৈশ্বিক তেল মজুত ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।