বিজয় ডেস্ক ॥ রাজশাহীতে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত চলাচলে কঠোরতা থাকছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। একই সময়ে দোকনপাট বন্ধ রাখাসহ ১০টি শর্তারোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (২ জুন) বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এমনটা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে এটি কার্যাকর হবে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সবধরনের দোকান-পাট ও বিপণি বিতান বন্ধ, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজনের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, সব সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ও বন্ধ থাকবে বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

তবে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি আম ও অন্যান্য কাঁচামাল পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গণপরিবহন চলবে।

আব্দুল জলিল বলেন, হাসপাতাল, ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ জরুরি পরিষেবা এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। কঠোর নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে আন্ত:জেলা বাস ও দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহন। তবে জেলাজুড়ে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে কাজ করবে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ টিম ও পুলিশ বাহিনী।

জেলা প্রশাসক বলেন, আরো এক সপ্তাহ দেখা হবে। তারপর কঠোরতার সিদ্ধান্ত। কেননা বিভাগীয় শহর রাজশাহী। এ শহরের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। মানুষের জীবন-জীবিকাসহ সবকিছুর প্রতি লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। জেলা প্রশাসকের সংবাদ সম্মেলনের পর তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় এমনটা জানান সংগঠনটির সভাপতি সাইদুর রহমান।

তিনি মনে করেন, জনগণের খাদ্যের ব্যবস্থা না করে কঠোর লকডাউন জারি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। আগে পর্যাপ্ত খাবার দিয়ে তারপর এসব বিষয় মাথায় নেওয়া যেতে পারে।

সাইদুর রহমান বলেন, আদিকাল থেকেই মানুষ লড়াই সংগ্রাম করে বেঁচে আছে। মানুষকে প্রতিকূল পরিবেশেই বেঁচে থাকতে হবে। এটার জন্য অর্থনীতিতে ধ্বস নামিয়ে সবকিছু বন্ধ করে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই।