৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
রাজধানীতের নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক সাংবাদিকতার কারিগর কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ আসুন শপথ নেই, আমাদের কাজগুলো হবে মানুষের কল্যাণে: প্রধানমন্ত্রী ‘এমপি-মন্ত্রীরা যেদিন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেবেন, সেদিনই স্বাস্থ্যখাতের দুর্দশা কাটবে’ প্রাথমিকে ফিরছে বৃত্তি, শিক্ষামন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন অধ্যক্ষ তাহমিনা আকতার একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত গত বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা এপ্রিলে, সুযোগ পাচ্ছে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরাও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‍খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের

বরগুনায় লোহার সেতুতে সুপারি গাছ দিয়ে চলাচল

আপডেট: মে ১৭, ২০২১

বরগুনা প্রতিনিধি ॥ বরগুনার বেতাগীতে একটি সেতুর জন্য দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ভোলানাথপুর গ্রামের বুলুর খাল নামক লোহার সেতুটি ৭ বছরেও নির্মাণ করা হয়নি। লোহার সেতুটির অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচা পড়ে গেছে। সেতুর উপরিভাগে সুপারি গাছ ফেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকজন চলাফেরা করছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, সেতুটির নকশা ও শিডিউল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে নির্মাণ করা হবে।

জানা গেছে, বেতাগী সদর ইউনিয়নে এলজিইডির অর্থায়নে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের ৩৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর সেতুর প্রাক্কলন অনুযায়ী দরপত্র আহ্বান করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর কিছুদিন পর প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় সেতুর কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যায়।

এরপর ওই সেতু নির্মাণে কোনো অর্থ বরাদ্দ হয়নি। এভাবে চলে গেছে ৭ বছর। কিসমত ভোলানাথপুর, লক্ষ্মীপুরা ও ভোলানাথপুর গ্রামের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৫ হাজার মানুষ চলাচল করে।

এই সেতু দিয়ে চলাচলকারী লক্ষীপুরা গ্রামের সুজন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন আগে সেতুটি নির্মাণের কাজ শুরু হলে মাঝপথে তা বন্ধ হয়ে যায়। সেতুর অভাবে বর্তমানে আমাদের যাতায়াতে অসুবিধার সম্মুখিন হতে হচ্ছে।

বেতাগী সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সেতু নির্মাণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে’।

বেতাগী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত সেতুটি শিগগিরই নির্মাণ করার হবে’।

উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার বলেন, ‘সেতুটির নকশা ও শিডিউল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে নির্মাণ করা হবে’।

271 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন