আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
সোহেল আহমেদ, বিশেষ প্রতিবেদক: নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে থাকা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্তকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষনতা আর দক্ষ শিক্ষামন্ত্রীর একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে মতামত প্রকাশ করেছেন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ তাহমিনা আকতার।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক বরিশাল২৪ ডটকম-কে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে শিক্ষাব্যস্থা নিয়ে সরকারের নেয়া নানা সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলাম না। যে শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি হয়, যে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার থেকে অন্যকিছুতে বেশি মনোযোগী হয়, লেখাপড়ার প্রতি শিক্ষার্থীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এসব পদক্ষেপের কখনওই সাপোর্টার ছিলাম না। কর্মক্ষেত্রে সরকারের কাছে আমাদের হাত-পা বাঁধা তাই সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে পারিনি।
অধ্যক্ষ তাহমিনা বলেন, নতুন সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিচক্ষনতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অত্যান্ত দক্ষ দুইজন মন্ত্রী মহোদয়কে নিয়োগ দিয়েছেন। যার সুফল ইতিমধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল মিলন মহোদয়কে চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজ-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
একইসঙ্গে শিক্ষা এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মহোদয়কেও অভিনন্দন জানিয়েছে অধ্যক্ষ তাহমিনা আকতার বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি শিক্ষা ব্যবস্থায় কোন ধরনের বৈষম্য থাকবে না, সকল শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হয়ে পড়াশোনা করবে সবমিলিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অভাবনীয় সাফল্য আসবে। সেজন্য সরকারের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক হয়ে তাঁদেরকে সহযোগীতা করার আহবান জানান অধ্যক্ষ তাহমিনা আকতার।
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কিন্ডারগার্টেন এর বিষয়ে একপ্রশ্নের উত্তরে অধ্যক্ষ তাহমিনা বলেন, অনেকেই মনেকরেন এটি একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। তাই এখানে সরকারি সুযোগ-সুবিধা দরকার নেই। অথচ এই প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা নিজেদের টাকা ব্যয় করে প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করছে। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা ধরে রাখতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দারণ চেষ্টা করছে এবং এর সফলতাও আসছে ফলে অভিভাবকরা এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন বলে জানান অধ্যক্ষ তাহমিনা আকতার।