আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬
অনলাইন নিউজ: প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ ও স্বীকৃতির লক্ষ্যে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাও এই নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে।
আজ (মঙ্গলবার) প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা চতুর্থ শ্রেণির বার্ষিক মূল্যায়নে সর্বোচ্চ নম্বর পাবে, তাদের মধ্য থেকে শতকরা ৪০ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। তবে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো কারণে প্রাপ্ত নম্বর সমান হলে বাংলা, গণিত ও ইংরেজির মতো বিষয়গুলোতে প্রাপ্ত নম্বরকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরীক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
জানা গেছে, এ বছর পরীক্ষা হবে মোট ৪০০ নম্বরের। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত) বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় বরাদ্দ ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবে। পরীক্ষায় বৃত্তি পাওয়ার জন্য একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, বৃত্তি প্রদান করা হবে দুই ক্যাটাগরিতে— ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ’। উভয় ক্ষেত্রেই ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের জন্য কোটা সংরক্ষিত থাকবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি দেওয়া হবে উপজেলা বা থানাভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে।
অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডভিত্তিক মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ পাবেন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বাকি ২০ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। পরীক্ষা পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ‘জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যার সভাপতি হিসেবে থাকছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব।
এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।